ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং
ফ্রিল্যান্সিং
এবং আউটসোর্সিং
হ্যালো
ইভরিওয়ান আসসালামু-আলাইকুম্ । ওয়েলকাম করছি R
H Khan ফেসবুক পেইজ এবং ইউটিউবে। আজকে আমি
আপনাদের সাথে আলোচনা করবো ফ্রিল্যান্সিং এবং আউটসোর্সিং নিয়ে ্তো চলুন শুরু করা যাক
। পার্টঃ০১
Ø ফ্রিল্যান্সিংঃ ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ
হলো স্বাধীন বা মুক্ত পেশা। অর্থাৎ কেও যদি দেশ অথবা বিদেশের কোন ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠানের অধীনে না থেকে অস্থায়ীভাবে
নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে অর্থের বিনিময়ে
ঐ প্রতিষ্ঠানের কোন কাজ করে ্তবে তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। এ ধরনের পেশাজীবীকে
ফ্রিল্যান্সার বা স্বাধীন পেশাজীবীও বলা হয়। ফ্রিল্যান্সার রা তাদের কাজের উপর খুব
বেশি দক্ষ এবং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হয়ে থাকে। এরা শর্ত বা চুক্তির উপরে নির্ভর করে কাজ করে থাকে। তাই তাদের মাসিক আয়ও নির্দিষ্ট
নয়। কাজ পাওয়া বা না পাওয়ার উপরে নির্ভর করে মাসিক আয় কম বেশি হতে পারে।
বৈশ্বিক
ডিজিটালাইজেশন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সুবাদে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ । ডিজিটাল
আউটসোর্সিংয়ে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়ে উঠছে এখন বাংলাদেশ। বৈশ্বিক এ খাতে বাংলাদেশের প্রায়
সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন,যাদের মাধ্যমে প্রতিবছর দেশে ১০ কোটি ডলারের বেশি
বৈদেশিক মুদ্রা আসছে। যা স্থানীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাংলাদেশের আইটি খাতে ৩ লাখের বেশি পেশাজীবী
কাজ করছে। অনলাইন ফ্রিল্যান্স শ্রমিক সরবরাহে বিশ্বের শীর্ষ দেশ ভারত্ । বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সার
শ্রমিকের ২৪ শতাংশই ভারতের, দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের বিশ্বের ১৬ শতাংশ । তৃতীয়
অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ফিল্যান্সার ১২ শতাংশ। একেক দেশ একেক ধরনের আউটসোর্সিং কাজে গুরুত্ব দিচ্ছে। যেমন ভারতের ফ্রিল্যান্সার
রা প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে বেশি কাজ করছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার রা বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ
সেবায় এগিয়ে ।
Ø
আউটসোর্সিংঃ
কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন তাদের কাজগুলো দেশ অথবা বিদেশের কারো মাধ্যমে অর্থাৎ থার্ড
পার্টির মাধ্যমে করিয়ে নেয় তখন তাকে আউটসোর্সিং বলে। উদাহরণস্বরূপ , ধরেন যুক্তরাষ্ট্রের
একটি কোম্পানি তাদের কোম্পানির প্রচারের জন্যে একটি ওয়েবসাইট,লগো,ফ্লায়ার,বিজনেস কার্ড,
রোল-আপ ব্যানার ইত্যাদির প্রয়োজন পড়ল । এখন
তাদের কেও এ কাজে অভিজ্ঞ না , বা জানলেও অল্প।
তাদের কোম্পানির প্রচার বা প্রসারের জন্যে উক্ত জিনিসগুল অত্যান্ত দৃষ্টিনন্দন এবং
প্রফেশনাল ডিজাইনারের মতো হওয়া চাই। এ জন্যে তারা দেস অথবা বিদেশের কোন দক্ষ ও প্রফেশনাল ডিজাইনারের মাধ্যমে চুক্তি
ও অর্থের ,মাধ্যমে কাজগুলো করিয়ে নেয়। এটাই
হলো আউটসোর্সিং। মুল কথা হলো যারা কাজ করিয়ে নেয় তারা হলো আউটসোর্সার আর যারা কাজ করে
দেয় তারা হলো ফ্রিল্যান্সার। উন্নত বিশ্বের
দেশগুলোর মানুষের চাহিদা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বেশ কিছু আউটসোর্সিং ক্যাটাগরির কাজ
আছে,চলুন আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই।
1. Web Design & Development.
2. Android Apps Development.
3. Graphic Design
4. Web Content Writing
5. Search Enginee Optimization (SEO)
6. Link Building
7. Online Marketing
8. Virtual assistance.
আপনি চাইলে সবগুলো ক্যাটাগরির কাজ করতে
পারেন। যারা ফেসবুকে দেখছেন অবশ্যই পেইজটি ফলো দিয়ে লাইক দিবেন আর যারা ইউটিউবে দেখছেন
তারা অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন্। আজ এ পর্যন্তই দেখা হবে পার্ট টুতে ।

comotkar content
ReplyDelete